তিন বছরের প্রেম। ১০ দিনের সংসার। তারপর করুণ পরিণতি। রাতের আধারে প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়িতে প্রবেশ। কুপিয়ে বিচ্ছন্ন করা হলো কলেজ ছাত্রীর স্মৃতি খাতুনের হাত। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হয় সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুন। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা।
শহরের ব্যস্ততম এলাকা লর্ড মার্কেট। ব্যবসায়ী এলাকা হিসেবে পরিচত। সড়কের পাশেই সেলিম ইরেকট্রনিক্স। উপরে সন্তানদের নিয়ে থাকেন এ প্রতিষ্ঠানের সত্বাধিকারী সেলিম হোসেন।
আপস্ :
বুধবার রাত দেড়টা………এ সময় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সেলিম হোসেন ও তার পরিবার। দোকানের প্রধান ফটক টপিকিয়ে ঘেরের দোতলায় প্রবেশ করে সায়ন হোসেন নামের এক যুবক। কলেজপুড়ায়া ছাত্রী স্মৃতি কাতুনকে একটি ধারালো দা দিয়ে এলাপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এক পর্যায় ডান হাত কেটে পড়ে যায় মাটিতে। মেয়েকে বাঁচাতে এসে গুরতর জখম হয় বাবা ও মা রেবেকা খাতুন। পরিবারের দাবি, ১০ দিন আগে সায়নের সাথে স্মৃতির বিয়ে হয়। সে মাদকাসক্ত হওয়ায় তিন দিন আগে তারাক দেয় স্মৃতি। এরই জের ধরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে সায়ন।
ভক্সপপ :
এদিকে শহরের প্রাণকেন্দ্রে এমন ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তীর দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে সায়নের মায়ের দাবি মদকাসক্ত হয়, মানসিক বিপদগ্রস্থ হয়ে ছেলে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ভূক্তভোগী পরিবারের বাড়ি পরিদর্শণ করেছে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য। বলছেন, দ্রুত সময়রে মেধ্যে আইনগত ব্যবস্থার নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে। আর পুলিশ বলছে অভিযুক্ত সায়নকে আটক করা হয়েছে।
অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি সাধারণ মানুষের। যানে এমন অপরাধ আর কেউ সঙ্গঠিত না হয়।
