ফ্রান্স ও স্পেনে কয়েকদিনের দাবানলে তিন লাখেরও বেশি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। প্রবল বাতাস ও উচ্চ তাপমাত্রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। রোববার (২৬ জুলাই) বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
এ বিষয়ে স্পেনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, সামনে জটিল সময় আসছে। এদিকে, ভ্যালেন্সিয়ার কর্তৃপক্ষ আগুনে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, মানিসেসের সল্ট দে ল’আইগুয়া গিরিখাতে আগুন নেভানোর সময় দমকলকর্মীরা আনুমানিক ৭০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে তার গাড়ির ভেতর মৃত অবস্থায় খুঁজে পান। ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিরোন্দ এবং লঁদ অঞ্চলে শনিবার গভীর রাতে আরও ৫৫ হাজার জনকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যার ফলে ফ্রান্সে মোট সরে যাওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখে দাঁড়িয়েছে।ফায়ার সার্ভিস ক্যাপ্টেন নিকোলাস ব্রাজ এএফপি কে বলেন, আগুনটি ঘূর্ণিঝড়সহ নিজস্ব বাতাস তৈরি করেছিল এবং এটি ছিল অস্থির ও নিয়ন্ত্রণহীন। এটি আরও কঠিন হতে চলেছে।
এদিকে, ফ্রান্স পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্যের জন্য তার সামরিক বাহিনীকে মোতায়েন করেছে এবং ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও অগ্নি প্রতিরোধক ব্যবস্থা তৈরির মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে সাহায্য করার জন্য সেনাবাহিনী থেকে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠানো হয়েছে।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ফ্রান্স পুনর্গঠন করা হবে। তাঁর সরকার যতদিন প্রয়োজন হবে ততদিন মানুষের পাশে থাকবে।
