পরিবারের অমতে বিয়ে করায় ২৪ বছর বয়সী মেয়েকে পিটিয়ে ও গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের আগ্রায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিমল শর্মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, নিহত ওই তরুণীর নাম অঙ্কিতা। পুলিশ জানায়, নিহত অঙ্কিতা প্রায় চার মাস আগে পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) সদস্য অমিত পাচৌরির সঙ্গে আদালতে বিয়ে করেন।
বিয়ের পর অমিত পাচৌরি কর্মস্থলে ফিরে যান। তবে অঙ্কিতা তার বাবা-মায়ের বাড়িতেই থাকছিলেন। পুলিশের ভাষ্য, বিয়ে নিয়ে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এরই মধ্যে সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে বিমল শর্মা মেয়েকে মারধর করেন। পরে একটি ওড়না দিয়ে তার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
ঘটনার সময় তার বিমল শর্মার স্ত্রী ও ছেলে বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি তাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন এবং নিজে মরদেহের পাশে বসে থাকেন।এছাড়া ঘটনার সময় প্রতিবেশীরা বাড়ি থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। পরে বারবার দরজায় কড়া নাড়লেও কোনও সাড়া না পেয়ে এবং ঘরের আলো নিভে যেতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন।সংবাদ প্রতিবেদন
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং অঙ্কিতাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। তার গলায় শক্ত করে ওড়না পেঁচানো ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে বিমল শর্মা পুলিশকে জানান, মেয়ের আদালতে গিয়ে বিয়ে করায় তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি দাবি করেন, বারবার বোঝানোর পরও অঙ্কিতা ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসতে রাজি হননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি।
