কথায় আছে ‘কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ’। শীতকাল ধনীদের কাছে অনেক সুখকর সময় মনে হলেও দুস্থ অসহায় মানুষের কাছে সর্বনাশই।
কারণ, শীতকাল এলেই ধনী বা মধ্যবিত্তদের মধ্যে বাহারি ডিজাইন ও নানা রঙের শীতের পোশাক কেনার ধুম পড়ে যায়। আর যাদের সামান্য একটি শীতের পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের কাছে শীতকাল মানেই সর্বনাশ।
এবছর প্রথম বারের মত এসব অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে শীতবস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে কুষ্টিয়ার একটু হাসি সংগঠন।
এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের রেল স্টেশন থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় সদস্যরা নিজ হাতেই ১১ পিচ সোয়েটার ও১২ পিচ কম্বল বিতরণ করেন।
একটু হাসির সংগঠনের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু ও অসহায় দুস্থ মানুষের হাতে শীতের পোশাক সোয়েটার ও কম্বল বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাদিক হাসান,
শোভা আক্তার, মাহবুবা সুরভী , অথৈ, বায়জিদ রহমান, মোস্তফা কামাল সহ শরীফ মাহমুদ।
শহরের আশপাশের দুস্থ মানুষ একটু হাসি সংগঠন এর কম্বল পেয়ে নিজেদের অনুভুতি প্রকাশ করেন এভাবেই, ‘এই শীতে একমাত্র সম্বল আপনাদের কম্বল’।
একজন পথচারী বৃদ্ধ বলেন, ‘আমি পথে পথে ঘুরি একটু খাবারের আশায় ,কিন্তু এখন বাড়ির দিকে ফিরছি ১ কেজি চাউলের টাকাও হয়নি বাড়ি গিয়ে কি খাবো জানিনা সকাল থেকে আমিও কিছুই খাইনি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন গলিতে গলিতে মানুষের কাছ থেকে যা পায় তাই নিয়ে চাল, ডাল কিনে কোনোমতে চলি।
তখন চাচাকে শীতের কম্বল সহ অল্প কিছু ব্যবস্থা করে দেয় একটু আছে সংগঠনের সদস্যরা।
ছোট বাচ্চাদের অনুভূতি ছিল দেখার মতো তারা শীতের সোয়েটার অনেক আনন্দিত পথচারীদের মধ্যে ছিল কেউ ধুপি বিক্রেতা, কেউ বেলুন বিক্রেতা সদস্যের মধ্য থেকে শুরভি আক্তার টাকা দিয়ে বেলুন কিনে প্রথমে তাকে খুশি করলেন, তারপর বেলুন টি তাকেই গিফট হিসাবে আবার হাতে ধরিয়ে দিলেন এরপর বালকটির মুখের হাসিটা ছিল অসাধারণ।
আপনার ২০টাকা ৩০টাকা ৫০টাকা ১০০ টাকা সামান্য কিছু হলেও হতে পারে অসহায় লোকের মুখের হাসির কারন।
এই শীতে একটু হাসি সংগঠন এর সঙ্গে দরিদ্র শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইলে যোগাযোগ করুন: একটু হাসি সংগঠনের আহ্বায়ক মীর সাদিকুল্লাহ, (কুষ্টিয়া) ফোন: 01994198004
