মেহেরপুরে ১১ বছরের এক শিশু কে ধর্ষনের ঘটনায় শাকিল হোসেন নামের এক ব্যাক্তি কে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা শিশু সহিংসতা আদালত। আজ রবিবার দুপুর দেড়টার সময় মেহেরপুর জেলা শিশু সহিংসতা আদালতের বিচারক মো: তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষনা করেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ২৯ কার্ষদিবসের মধ্য স্ব-শরীর ও ভার্চুয়াল ভিডিও কলের মাধ্যমে তিন দিনে স্বাক্ষী গ্রহন করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের পুত্র।
ফাঁসি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে পাবলিক প্রসিকিটর এ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ই জুন গাংনী উপজেলা চাঁদপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া মেয়ে তার পিতাকে বাড়ির পাশের মাঠে খাবার দিতে যাওয়ার সময় ধর্ষক শাকিল হোসেন শিশুটিকে অস্ত্র ভয় দেখিয়ে পা খেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটির বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে মেয়েটির পিতা এসনুল হক গাংঙ্গি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর পুলিশ ধর্ষককে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। আদালত ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলায় ১১ জন সাক্ষীর ভার্চুয়ালি ভিডিও কলে ও সশরীরে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য প্রমাণের প্রমাণিত হয় ধর্ষক শাকিব হোসেনকে আদালত মৃত্যুদণ্ডর আদেশ দেন।
প্রায় সময় আদালতে আর সেই পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসাবে অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড রায়ে ধর্ষিত শিশুর পরিবার খুশি বলে সাংবাদিকদের জানান। অন্যদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল হোসেনের আইনজীবী উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বলেন।
দেশের ১ম বারের মত ২৯ কার্ষদিবসের মধ্যে মেহেরপুরে শিশু ধর্ষন মামলায় একজনের ফাঁসি আদেশ।
previous post
