মেহেরপুর প্রতিনিধি :
স্বাধীনতার পর এই প্রথম মেহেরপুরবাসী পেয়েছেন পূর্নাঙ্গ মন্ত্রী। এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন ফরহাদ হোসেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর ১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে তৃতীয়বারের মত জয়লাভের পর গত ১১ জানুয়ারি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। দায়িত্ব পান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। দায়িত্ব পাওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) তিনি নিজ সংসদীয় এলাকা মেহেরপুরে ৩ দিনের সরকারি সফরে আসেন। বিকাল সাড়ে তিন টার দিকে স্থল পথে মেহেরপুরে এসে পৌঁছান ফরহাদ হোসেন। পৌঁছানোর পর প্রথমে মেহেরপুর পৌর কবরস্থানে তার পিতা সাবেক সংসদ সদস্য মৃত ছহিউদ্দীন বিশ্বাসের কবর জিয়ারত করেন। এরপর মেহেরপুর ড. শহীদ সামসুজ্জোহা নগর উদ্যানে পৌঁছালে মেহেরপুরের সর্বস্তরের জনগণের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
এসময় মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগসহসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাও ফরহাদ হোসেনকে শুভেচ্ছা জানান।
পরে মেহেরপুর বাসীর উদ্দেশ্য সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই মেহেরপুরবাসীকে। যাদের ভোটে আমি তৃতীয়বারের মতাে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে, যিনি আমাকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে মেহেরপুর-মুজিবনগরবাসীকে সম্মানিত করেছেন। মেহেরপুরবাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যেন ভালোভাবে পালন করতে পারি সেজন্য মেহেরপুরবাসীর দোয়া চাচ্ছি। সেই সাথে মেহেরপুরবাসীর জন্য আমাদের মেহেরপুরে যেসব বড় প্রকল্প গুলো আছে, যেমন রেল সংযোগ, স্থলবন্দর, মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর-কুষ্টিয়া চার লেনের সড়ক এগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। পাশাপাশি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালকে সকল চিকিৎসার জন্য পুরোপুরি সক্ষম করে গড়ে তোলার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করা। মেহেরপুরের আর্থসামাজিক অবস্থা আরও উন্নতি করা এসব গুলো আমার অঙ্গিকার।
এর আগে মন্ত্রীর আসার খবরে দলীয় নেতাকর্মীরা গত তিনদিন ধরে সাজিয়েছেন মেহেরপুরকে। তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে মেহেরপুর জেলা শহরের মোড় গুলো।
