আল-আমিন হোসেনঃ
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী জেলা চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের প্রথম রেলপথ স্থাপিত হয় এই জেলায়। এমনকি বাংলাদেশের প্রথম ডাকঘর চুয়াডাঙ্গায় স্থাপিত হয়। এইগুলো বাদ দিলেও
প্রকৃতিগত দিক থেকেও বিশেষ এক বৈচিত্রপূর্ণ দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এ জেলা চুয়াডাঙ্গা।
যার অন্যতম দিক হলো শীতের সময় শীত বেশি এবং গরমের সময় গরম বেশি। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের আবহাওয়া এই এক জেলার ভেতর বিরাজমান।
অনেকেই আবার মজার ছলে বলে এই চুয়াডাঙ্গায় বসবাস করলে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশের আবহাওয়া অনুভব করা যায় অর্থাৎ এই জেলার মানুষ বিশ্বের যে কোন জায়গায় যেয়ে খাপ খাওয়াতে পারবে। শীতের সময় ডিসেম্বর জানুয়ারি মাসে প্রায় ১০ ডিগ্রি নিচে উঠানামা করে তাপমাত্রা। আবার চৈত্র বৈশাখ মাসে ৪০ ডিগ্রি উপরে তাপমাত্রা উঠানামা করে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার আব্দুল আলিম নামের এক চাকুরীজিবি বলেন, আমাদের চুয়াডাঙ্গা গরমে সময় মনে হয় মধ্যপ্রাচ্যে কোন এক দেশে বসবাস করছি, আবার শীতের সময় যে শীত বিরাজ করে সেই অনুপাতে মনে হয় ইউরোপা আমেরিকায় বসবাস করছি । কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মধ্যপ্রাচ্যের এমন তেলের খনি পাইনি আমরা আর ইউরোপ আমেরিকার মতো অতটা উন্নত জীবন কাটাতে পারিনা।কিন্তু, আলহামদুলিল্লাহ তেলের খনি না পাওয়া গেলেও পানি এ অঞ্চলে আল্লাহ তরফ থেকে একটা অন্যতম নেয়ামত।
এছাড়াও বর্তমানে পাঠ, ভুট্টা, পান, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, ও নিরক্ষর মুক্ত জেলা হিসাবে কিন্তু বাংলাদেশের ভেতর এ জেলার তুলনা নাই। তাই আমি বলবো বাংলাদেশের মধ্যে সবথেকে আমার জেলায় সেরা এবং বৈচিত্রপূর্ণ একটি জেলা।
