গাংনীতে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে প.র.কি.যার জের. ধরে..নিখোজ খোয়াভাঙ্গা মিস্ত্রির লালটুর ম/র/দে/হ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দল ।।
১১অক্টোবর বুধবার, মেহেরপুরের গাংনীর উপজেলার হাড়াভাঙ্গা গ্রামের বাগান পাড়ায় সৌদি প্রবাসী জাহাঙ্গীর হোসানের স্ত্রী সাবিনা খাতুন এর বাড়ির একটি কোয়া থেকে পরকিয়া প্রেমিক লাল্টুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
লাল্টু গাংনী উপজেলার নওদা পাড়ার বাসিন্দা এবং দুই সন্তানের জনক। অপরদিকে পরকিয়া প্রেমিকা সাবিনা খাতুন পার্শ্ববর্তী হারাভাঙ্গা বাগান পাড়া এলাকার সৌদি প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী।
ঘটনা সুত্রে লালটুর ভাই বল্টু জানান, তার ভাই লাল্টু খোয়া ভাংগা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন,,সেই সুত্রে, প্রবাসী জাহাংগীর এর বাড়িতে অনেক দিন আগে খোয়া ভাংগা কাজে আসেন লাল্টু, এর পর থেকেই জাহাঙ্গীর এর স্ত্রীর সাবিনার সাথে লাল্টুর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, পার্শ্ববর্তী এলাকায় হওয়ায় মাঝে মধ্যেই লাল্টু নওদাপাড়া মাঠ পেরিয়ে হারাভাঙ্গায়, পরকিয়া প্রেমিকা প্রবাসী স্ত্রী সাবিনার কাছে আসতেন৷
গত ১১ অথবা ১২ই সেপ্টেম্বর, লাল্টু, প্রেমিকা সাবিনা খাতুনের কাছে আসার উদ্দেশ্যে, সাদেক নামের এক ভ্যান চালকের ভ্যানে চেপে হাড়াভাংগা কাওসার বাজারে এসে নামেন, এর পর ঐ দিনের পর থেকে লাল্টুকে আর খুজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা, ঘটনার দুইদিন পর অর্থাৎ ১৪সেপ্টেম্বর গাংনী থানায় একটি জিডি করেন।
জিডির তথ্যের ভিত্তিতে গাংনী থানা পুলিশ, প্রবাসীর ঐ স্ত্রী সাবিনা খাতুন কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসা বাদ করলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য, সাবিনা খাতুন যানায়, নিখোজের পর থেকে প্রেমিক লাল্টু তার বাড়িতে অবস্থা করছিলেন, প্রেমিক লাল্টু সাবিনাকে বিয়ের জন্য পেশার দিচ্ছিলেন, লাল্টুর বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ না করায়, সাবিনার বাড়িতেই একটি কোয়াতে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে যানাই প্রবাসী স্ত্রী সাবিনা, সেই তথ্যের সুত্র ধরে, আজ ১১অক্টোবর গাংনী থানা পুলিশ ও ফয়ার সার্ভিস এর কর্মীরা সাবিনার বাড়িতে অভিযান চালায়।
এসময় সাবিনার বাড়ির কোয়ার ভিতরে গত এক মাসে ফেলে রাখা ময়লার স্তুপ সরিয়ে লাশ উদ্ধার অভিযান চালাতে বেগ পেতে হয় এসকল উদ্ধার কর্মীদের, পরে মেহেরপুর সদর ফয়ার সার্ভিস এর একাধিক টিম ঘটনা স্থলে গিয়ে ঐ কুয়া থেকে লাল্টুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় এলাকায় চঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
