আল আমিন হোসেনঃ
সংসারে আয়ের কোন উৎস নেই, উপার্জনেরও কোন ব্যক্তি নেই। আপনজন বলে বউ ছাড়া কেও নেই।তিন তিনটি অপারেশন করে এক বছর বিছানাগত হয়ে আছে ৩০ বছর বয়সের শরিফুল ইসলাম নামের এক যুবক। অপারেশন ছাড়া সুস্থ্য হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই। প্রতিটি মুহূর্ত মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। অপারেশন করাতে তো অনেক টাকা লাগবে। টাকা নাই তো চিকিৎসাও নাই। আর এই পরিস্থিতিতে অনেকটা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর প্রহর গুনছেন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাউসপুর ক্যানালপাড়ার
আতিয়ার রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম।
ক্যানালপাড়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে স্ত্রী ও একটি ছোট সন্তান নিয়ে। বর্তমানে তার স্ত্রী অন্যের বাসায় কাজ করে দুমুঠো খাবার ৯ বছরের কন্যা সন্তান ও অসুস্থ স্বামীর মুখে তুলে দেওয়ার জন্য।
শরিফুলের স্ত্রী জানায়, কিডনি, এ্যাপান্ডিস,সহ তিনবার তার স্বামীর পেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। সর্বশেষ অপারেশন করার পরে সমস্য হলে আলট্রাসনো করে দেখা যায় তার পেটের ভেতর নাড়ি পেঁচিয়ে গেছে। বর্তমানে পেট ছিদ্র করা আছে তার মল বাহির হওয়ার জন্য। ডাক্টার বলছে উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনই ঢাকায় নিয়ে যেতে কিন্তু আমার তো সে সামর্থ্য নাই। এভাবেই অশ্রুভেজা চোখে বর্ণনা করেছিল তার স্ত্রী। তিনি বলছিলেন, আগের মানুষ বলতো শুনতাম টাকা থাকলে পৃথিবী কেনা যায়, আর টাকা না থাকলে পৃথিবী চেনা যায়। আসলেই আমি চিনছি এখন।
সমাজে কত সংগঠন,সংস্থা, বন্ধু সংগঠন, নাচ গান করে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করছে, কিন্তু আমি আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারছি না টাকার অভাবে।
শুনেছিলাম দূরবর্তী নদীতীরে চর্মরোগগ্রস্ত একটি ছাগল যদি মালিশ করার মতো তেলের অভাবে দুঃখ পায়, তবে হাশরের দিন সে সম্পর্কেও সমাজের হর্তা কর্তাদের আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
এখন শুধু একটি কথা ভেবে মনকে বুঝ দিই। সেটি হলো,
টাকার বোঝা সবাই বহন করতে পারেনা, টাকা শুধু তাদের কাছেই আসে যারা এর বোঝা বহন করতে পারে ।
কিছুদিন আগে টাকার জন্য আমার স্বামীকে কুষ্টিয়া থেকে ফেরত পাঠিয়েছে । টাকা আমি কোথায় পাবো। অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে নিরুপায় হয়ে বাড়িতে চলে এসেছি।আমি সমাজের বৃত্তবানদের কাছে আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য সহযোগীতা চাই।
সহযোগীতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন শরিফুলের স্ত্রী ০১৩০৬-৩৭৭৮৭২
