স্বপ্নচিন্তক মানুষগুলো সমাজ ও রাষ্ট্রকে আলোকিত করার প্রত্যয়ে কাজ করে যায় জীবনের বহমান সময় জুড়ে। মেহেরপুর পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন তাঁর রুচি ভাবনার আদিত্য ছড়িয়ে কাজ করে চলেছেন অর্ধযুদ্ধ ধরে। ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মৃতিকথা ১৫৫ বছরের পৌরসভাটি বিগত দিনে অনেক মেয়র এর হাত বদল হলেও তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে সেই ভাবে পৌঁছাতে পারেনি। কিন্তু কেন! কি জন্য!! কাদের কারণে!!! সে এক সুদীর্ঘ প্রশ্ন। স্বাধীনতার বাহান্ন বছরে এসে মেহেরপুর পৌরসভা যে সার্বিকভাবে মান উন্নয়ন পথ চলা শুরু করেছে যে মানুষটির হাত ধরে তিনি হচ্ছেন তরুণ প্রজন্মের তারকা রাজনীতিবিদ জনবান্ধব মানবিক উন্নয়ন বান্ধব সাহসী যুগ উপযোগী নেতা মাহফুজুর রহমান রিটন। উল্লেখ্য মেয়রের বড় ভাই মিজানুর রহমান রিপন অত্যান্ত জনপ্রিয়তার কারণে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুষ্কৃতকারীদের হাতে হত্যা হয়। সেই সূত্র ধরে বর্তমান পৌরসভার যোগ্য মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন রাজনীতিতে পথ চলা শুরু করেন। মাহফুজুর রহমান রিটন এর সামনে তখন দুটি চ্যালেঞ্জ এর কাজ ছিল একটি ভাই হত্যা বিচার অন্যটি ভাই শহীদ মিজানুর রহমানের অসমাপ্ত কাজগুলো বাস্তবায়ন করা।
কাজ প্রিয় মানুষ পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন বর্তমানে আওয়ামী যুবলীগ এর মেহেরপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তিনি বয়সে তরুণ হলেও ইতিমধ্যে রাজনীতিতে দারুন চৌকস কর্মদক্ষতা দেখিয়ে চলেছেন, উদাহরণ হিসাবে বলা যায় সাবেক মেয়র মুতাছিম বিল্লাহ মতুকে একাধিকবার ভোটের মাঠে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। অন্যদিকে মেহেরপুর পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে যেমন রাস্তাঘাট, পানীয় জল ব্যবস্থা, আবর্জনা ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, বস্তি উন্নয়ন ব্যবস্থা, পরিছন্নতা ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। মেহেরপুর পৌরসভার ভঙ্গুর অবস্থা থেকে উন্নয়নের যাত্রা পথে পৌঁছাতে শত প্রতিকূলতাকে ডেঙ্গিয়ে বাস্তব চিত্রে কাজ করে চলেছেন তিনি।
পৃথিবীর এক মহা যুদ্ধে যার সামনের সারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানব সেবায় সত্যিকারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মেহেরপুরে তাদেরই অন্যতম করোনা কালীন যোদ্ধা মাহফুজুর রহমান রিটন। মেহেরপুরের মানুষ যখন করোনার সাথে হার মেনে ঘর বন্দী ছিলেন তখন আমাদের পৌর মেয়র সাফল্যের অধিনায়ক যার চৌকস কর্মদক্ষতায় দিনেও রাত্রে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন ঘরে ঘরে খাবার ঔষধ অর্থ এবং সার্বিক সেবা পৌঁছে দেবার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন তা অবশ্যই ভুলবার নয়। বিষয়টি যেমন গণমাধ্যমে নিয়মিতভাবে প্রচার হচ্ছিল তখন সেই সাথে সরকারি এজেন্ট গুলোতে প্রশংসিত বার্তা পৌঁছে দিচ্ছিলেন সরকারের কাছে। মাহফুজুর রহমান রিটন এর সেই মানবিক ধারা এখনো অব্যাহত রেখেছেন বড় ভাই মিজানুর রহমান রিপনের সেই নাইট জাস্টিস (রাতের বিচারক) এর মতই ভাই হিসাবে কাজ করে চলেছেন মাহফুজুর রহমান রিটন নাইট জাস্টিস (রাতের বিচারক) হিসাবে। তরুণ পৌর মেয়র বর্তমানে মেহেরপুর পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে ২৩ কোটি টাকা ব্যয় রাস্তা ও ড্রেনয়ের উদ্বোধন করে চলেছেন এবং সে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বিখ্যাত ও ঐতিহ্যবাহী ২৪ বিঘার উপরে গড়পুকুর ১২ কোটি টাকার উন্নয়নে মোড়কে একটি আকর্ষণীয় দৃষ্টিনন্দন বিনোদন কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে তার উন্নয়ন কাজ চলছে। এছাড়াও আধুনিক মৎস্য আড়ত তৈরির পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে, সুপ্রিয় পানীয় জল সরবরাহের জন্য ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দ্বিতীয় পানি সরবরাহ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার অপেক্ষায়। আবর্জনা থেকে সার উৎপাদন ডাম্পিং কেন্দ্রটির ইতিমধ্যে কাজ করছে, এছাড়াও পৌরসভাতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালু রাখার ব্যবস্থায় তিনি কাজ করছেন। একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হিসাবে তিনি অভিভাবকদের পরামর্শ শ্রদ্ধার সাথে শ্রবন করে এবং বিষয়গুলো নিয়ে মেহেরপুরের উন্নয়নের কাজ করে চলেছেন একের পর এক। মাহফুজুর রহমান রিটন কাজ বান্ধব সাংবাদিক বান্ধব শিশু কিশোর বান্ধব হিসেবে কাজ যেমন করে যাচ্ছেন তেমনি অন্যায়ের অবিচারের বিরুদ্ধে ও জিরো টলারেন্স বিশেষ করে মাদক ইভটিজিং নারী ও শিশুদের নির্যাতনের থেকে মুক্তির জন্য কাজ করে চলেছেন। অন্যদিকে যুব সম্প্রদায়ের এক অনুসন্ধানী তে দেখা গেছে ২০৩৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাহফুজুর রহমান রিটন মেহেরপুর ১ আসন আওয়ামী লীগের থেকে মনোনয়ন পাওয়ার দাবিদার ও তা পাবার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। চলবে
