মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের উত্তর পাড়ার গন্ধরাজপুর জামে মসজিদে পবিত্র জুম্মার নামাজ শেষে ৩৩ জন মুসল্লিকে কোরআন শরীফ শেখানোর পর কোরআন উপহার দেওয়া হয়। দীর্ঘ দিন ধরে অত্র মসজিদের ইমাম এবং খতিব মুফতি মাওলানা শামসুল আলম ছাত্রদের কোরআন শিক্ষা দিয়ে আসছিলেন। ছাত্ররা হলো, “মোঃ আমির হামজা,সাইফুল ইসলাম, আলী আকবার, মোঃ আলমগীর হোসেন, আনারুর ইসলাম, জুল্লুর রহমান, আলী হোসেন থান্দার,হাবিবুর রহমান,আশিকুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, জিহাদ, রাজিবুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, মকলেছুর রহমান মুকুল, আসাদুল ইসলাম,নাসিউদজ্জামান,মিজানুর রহমান, শাহারুল ইসলাম, শামসুল হক,শরিফ উদ্দিন, গাজলু থান্দার,ফয়সাল আহমেদ,ফারেস, মহব্বত আলী, তামিম, মনিরুল ইসলাম, আলী হোসেন, সহিদুল ইসলাম, হারুন আলী মন্ডল, পরাণ আলী মন্ডল,আব্দুল আলিম (উকিল), নুরুল হুদা,আমির খসরু।” এবং একজন বিশেষ চাহিদা সম্পুর্ন ছাত্র সুমন আহমেদ কদো কে পবিত্র কুরআন শরীফ উপহার হিসেবে দেওয়া হয়, উপহার হিসেবে উপস্থিত ইমাম অতিথি এবং সকল ছাত্র /ছাত্রী দের আতর দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ইউপি সদস্য (সাবেক) মোঃ মোস্তাক রাজা। উপস্থিত ছিলেন অত্র গ্রামের স্বনামধন্য এবং আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক হাজী মোহাম্মদ সিরাজুল হক মাস্টার, মসজিদের সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন , ডাক্তার মেহেদী হাসান লিটন, আব্দুল হালিম, এবং আরো উপস্থিত ছিলেন আমঝুপি মধ্যপাড়া মসজিদের সম্মানিত ইমাম এবং খতিব মোঃ শাহজাহান, বটতলা জামে মসজিদের ইমাম মোঃ সহিদুল ইসলাম (সুমন), হাজী আব্দুস সামাদ কওমি ও নূরানী মাদ্রাসার এবং মসজিদের সম্মানিত ইমাম এবং খতিব হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ শামিম হোসেন, কালিতলা বায়তুল নূর মসজিদের ইমাম মোঃ রেজাউল করিম। আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার মুসুল্লিবৃন্দ। এসময় মসজিদের সভাপতি জনাব মোঃ মোস্তার রাজা বলেন “আমি অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা গ্যাপন করছি আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব জনাব (শামসুল আলম) এর প্রতি। তিনি এতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমার মহল্লার মুসুল্লিদের সহীহ্ শুদ্ধ ভাবে কোরআন শেখানো,এবং আমাদের মসজিদের সুনাম বাড়িয়েছেন” তিনি আরও বলেন এটাই প্রথম মসজিদ একসাথে ৩৩জন ছাত্র একসাথে কোরআন পড়া ধরলো,সেইসাথে আমাদের মসজিদের গৌরব এনে দিয়েছে”। একই সাথে কানাডা প্রবাসী চাচাতো বড়ভাই জনাব “এস এম মাসুদ হান্নান”সাহেবের অর্থ সহযোগিতা চেয়ে চলতি মাসেই মসজিদের অজুখানা এবং চারতলা ফাউন্ডেশন কাজের ঘোষণা দেন”। হাজী সিরাজুল হক মাস্টার বলেন, “আমি আমার ইমাম সাহেবকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা,যাদের বয়স ৬০-৮০হয়ে গেছে অনেকেই শুদ্ধ ভাবে সুরা কেরাত পড়ে নামাজ পড়তে পারি না। তিনি আরও বলেন “আমি মনেকরি এটি আমাদের জন্য একটা বড় সুযোগ আমরা সবাই এই সুযোগটা কাজে লাগাবো এবং সহীহ্ শুদ্ধ ভাবে কোরআন পড়া শিখবো”। অত্র মসজিদের ইমাম এবং খতিব মুফতি মাওলানা শামসুল আলম সাহেবের সঞ্চালনা এবং ছোবকের মাধ্যমে ছাত্র দের কোরআন পড়া ধরানো এবং মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করেন।
