স্বাধিনতার ৫০ বছরের মাথায় দাড়িয়েও স্বাধীনতা বিরোধি শক্তির আস্ফালন দেখছি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে ধর্মকে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশিল করার চেষ্টা করছে তারা। যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধিতা করেছিল, যারা বাংলাদেশের সংবিধান মানতে চাইনা, যারা এখনো জাতীয় পতাকাকে সম্মান করতে চাইনা তারা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকার অধিকার রাখে না। হেফাজত বলেন আর জামায়াত বলেন এরা সবই স্বাধীনতা বিরোধী। স্বাধিনতা বিরোধীদের বীজ অনেক গভিরে চলে গেছে। এজন্য স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও তাদের আস্ফালন দেখতে হচ্ছে। স্বাধিনতার সুবর্নজয়ন্তিতে এসে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে। ঠিক সেই সময় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য একাত্তরের পরাশিক্তরা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বিষ দাত উপড়ে ফেলে দিয়ে শেখ হানিার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। শনিবার দুপুরে মুজিবনগরে এক প্রেস বিফ্রিংএ এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ এমপি। এসময় তিনি আরও বলেন, ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস বাঙালি জাতির কাছে একটি স্বরনীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠনের পর ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠিানিকভাবে এই মুজিবনগরে সেই সরকার শপথ গ্রহন করেন। সেই সরকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে মাত্র ৯ মাসে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ লাভ করি। এসময় উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও মেহেরপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন, জাতীয় সংসদরে হুইপ জয়পুরহাট ১ আসনে এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মেহেরপুর ২ আসনের সাংসদ সাহিদুজ্জামান খোকন, মেহেরপুর ২ এর সাবেক এমপি মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান, পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলি, মেহেরপুর পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটন প্রমুখ। এর আগে সকাল পৌনে ছয়টায় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ পাদদেশে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ডঃ মুনসুর আলম খানের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসের সূচনা করা হয়। পতাকা উত্তোলন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়। সকাল ১০ টায় জাতীয় সংসদের হুইপ ও জয়পুরহাট-১ আসনের এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্নসাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেনএমপি মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্প মাল্য অর্পণ করেন। এরপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেহেরপুর পলিশ, জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় মেহেরপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মৃধা মোহাম্মদ মোজাহেদুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার, মেহেরপুর জেলা প্ররিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রসুল, পৌর মেয়র মাহফুজুর রগহমান রিটন. জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায়ও স্বাধীনতা বিরোধি শক্তির আস্ফালন দেখছি – মাহাবুবুল আলম হানিফ এমপি
previous post
