নিজে থেকে আত্মগোপনে চলে যায় মেহেরপুরের এনসিপি নেতা তামিম ইসলামের পিতা কামরুল ইসালাম। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চুয়াডাঙ্গা দর্শনার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ডিবি পুলিশের একটি টিম। রাতেই আত্মগোপনে থাকা কামরুল ইসলাম কে মেহেরপুর নিয়ে আসা হয়।
গত এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও এনসিপির জেলা কমিটির সদস্য তামিম ইসলামের পিতা কামরুল ইসলাম। এঘটনায় তামিম মেহেরপুর সদর থানায় পিতার নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি সাধারন ডাইরি (জিডি) করে। এর পর থেকে পুলিশ ও ডিবির একাধীক টিম
উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার মধ্য রাতে উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত এক সপ্তাহ আগে সদর থানায় একটি নিখোঁজ জিডি হয়। সেই সূত্র ধরে আমরা কাজ শুরু করি। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার রাত ১টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার শ্যামপুর জোড়া বটতলার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামরুল ইসলাম জানায়, ব্যক্তিগত কারণে তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। তবে এ ঘটনায় কোনো অপরাধ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটা যাচাইসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলা ট্রাক ও ট্যাংকলরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম গত ৮ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে না আসায় পরিবারে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। এ ঘটনায় তার ছেলে তামিম ইসলাম ১০ ডিসেম্বর মেহেরপুর সদর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের খবরটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এদিকে উদ্ধার হওয়ার খবরে পরিবারের সদস্যরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এনসিপি নেতা তামিম বলেন,আমার বাবাকে সুস্থভাবে উদ্ধার করে আনার জন্য মেহেরপুর জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে অনেক গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে খবরটি প্রকাশ করেছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মেহেরপুর সদর থানায় পূর্বের করা জিডিটি আমরা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।
previous post
