রঞ্জন হালদার মেহেরপুর পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড হালদারপাড়া এলাকার নেন্টু হালদারের বড় ছেলে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার (২৯ জুন) সকালের দিকে মারা যান।
পারিবারিক সূত্রের মাধ্যম দিয়ে মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেশীরা জানান, ঋণ ও প্রচুর দায় দেনায় জর্জিত ছিল রঞ্জন হালদার। বিভিন্ন সুদ কারবারীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুকুর লিজ করে মাছ চাষ ও ব্যবসা চালাতেন রঞ্জন হালদার।
ঋণ ও দায় দেনা শোধ করতে সে স্থানীয় সুদ কারবারীদের ফাঁদে পড়ে যায়। সুদ কারবারীদের কাছে ৮/১০ লক্ষ টাকা ঋণি হয়ে পড়েছেন তিনি। সুদের টাকা দিয়ে গিয়ে বিপদ গ্রস্থ হয়ে পড়েছেন রঞ্জন হালদার। হতাশা আর ঋণ পরিশোধের ভয়ে গত ২৭ জুন দুপুরে নিজ ঘরের ফ্যনের সাথে গলাই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করে। বাড়ির লোকজন দেখতে পেয়ে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে য়ায়।রঞ্জন হালদার এর অবস্থা অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রের্ফাড করেন।
রঞ্জন হালাদারের স্ত্রী শান্তনা হালদার জানান, টাকা পয়সার জন্য পাওয়নাদাররা তার কাছে বারবার টাকা চাইতে আসতো।
