মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের (ডি জি এম) আবুল কাশেম যোগদান করার পর থেকে অনিয়মের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে।প্রতিদিন বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাত্র ৩ ঘন্টা বিদ্যুৎ দিচ্ছে।বাকী ২১ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রেখেছেন।
স্থানীয়রা জানান,বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার বিষয়ে (ডি জি এম)আবুল কাশেম বলেন সরকারী ভাবে আগের থেকে বাংলাদেশে জ্বালানীর অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে।যার কারণে লোডসিডেং হচ্ছে বলে আমাদের জানিয়েছেন।তারা আরও বলেন,আমারা শুনেছি বাংলাদেশে বিদ্যুতের কোন ঘাটতি নেই।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে শত ভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন।
সেখানে (ডি জি এম)আবুল কাশেম যোগদান করার পর থেকে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করার জন্য সাধারন গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা শুরু করেছেন।
গাংনী উপজেলার ধর্মচাকী গ্রাম আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আহাজ আলী জানান,সরকারী ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোন সমস্যা নেই।গাংনী জোনাল অফিসে আগে যেসকল কর্মকর্তা দ্বায়ীতে ছিলেন তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ সঠিক ভাবে করেছে।এর আগে গাংনী জোনাল অফিসে যত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ ছিলো বর্তমানে সরকারী ভাবে তাই আছে আবুল কাশেম সরকারের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করার জন্য এমন শুরু করেছে।
এব্যাপারে গাংনী জোনাল অফিসের কর্মকর্তা (ডি জি এম) আবুল কাশেম জানান,বাংলাদেশে জ্বালানির অভাবে সরকারী ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ সঠিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। যদি আমাকে সঠিক ভাবে বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেয়। তাহলে সঠিক ভাবে সরবরাহ করা হবে।
মেহেরপুর -২ গাংনী আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। আমার গাংনী উপজেলার সাধারণ মানুষ প্রায় প্রতিদিনই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের বিষয়টি আমাকে অবগত করেছে।
আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো কি কারুনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে, বিনা কারণে যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে বা সরকারী উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করে তাহলে ( ডি জি এম) এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
