চেতনানাশক ঔষধ মিশ্রিত কোমল পানীয় পানে শিশু সহ একই পরিবারের ৫ জন গুরতর অসুস্থ হয়েছে। সোমবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা হলেন ফতেপুর গ্রামের মেহেরুল্লাহ, চাঁদ মালা, আজিজুল, সাইফুল ও মিম।
তাদের মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান অসুস্থদের মধ্যে শিশু মিম (৫) এর অবস্থা আশংকা জনক। তার জ্ঞান আদো ফিরবে কিনা ২৪ ঘন্টা পার না হলে বলা সম্ভানয়।
মিমের মা শারনুর জানান. আগের দিন রাতে ফতেপুর গ্রামের সিরাজুলের ছেলে শরিফুল ইসলাম আমার স্বামী মেহেরুল্লার হাতে ৫০০ মিলির ২ টা কোমল পানীয় দিয়ে আমাদের খাওয়ানোর জন্য বলে। রাত্রে আমরা না খেয়ে আজ দুপুরে আমার স্বামী , কণ্যা মিম, শ^শুর শ্বাশুড়ি ও বোন চাঁদমালা ঐ কোমল পানীয় খায়। এর কিছু ক্ষণ পরে তারা অচেতন হয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। তাদের মেহেরপুর ২শ ৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। তিনি আরো বলেন অভিযুক্ত শরিফুল দির্ঘদিন ধরে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। ইতি পূর্বেও সে আমাকে রক্তাক্ত করেছিলো। এবার আমার পুরো পরিবারকে মেওে ফেলার চেষ্টা করেছে। আজ বিকালে শরিফুল ইসলাম তার চাচা মিলন মেম্বারকে সাথে নিয়ে আমার বাবা মেহেরুল্লার কাছে আসে। এসময় শরিফুল বলেন ভুল হয়েছে। আমি পানীয়র সাথে ১০ টা করে ঘুমের বড়ি মিশিয়ে ছিলাম। যাহবার হয়েছে আমাকে মাফ করেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে আইন গত ব্যবস্থা নেবার কথা বলে তাদের ফিরিয়ে দিই। এর পর আজ সন্ধ্যায় মেহেরপুর সদর থানায় আমরা অভিযোগ দায়ের করতে গেলে মিলন মেম্বরার ও তার লোকজন আমাদের থানার সামনে হুমকী ধামকি দিয়ে তড়িয়ে দেয়। পরে রাত ১০ টার দিকে মেহেরপুর থানার অফিসার ইনচাজকে অবহিত করলে তিনার নিরাপত্তায় পুনরায় থানায় য়েয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।
বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ড ফতেপুর গ্রামের মেম্বার মিলন আহম্মেদ বলেন, এসকল খোঁজ রাখা আমার দায়িত্ব না। এসকল বিষয় নিয়ে ফোন দেবেননা।
মেহেরপুর সদর থানার ডিউটি অফিসার অর্জূন কুমার দাস বলেন, আভিযোগ লিপি বদ্ধ চলছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
previous post
