ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হয়েছে পার্থীদের তোড়জোড় । এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই মেহেরপুরও গত ২৯/১২/২০২৫ তারিখে মেহেরপুর ১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দেন সাবেক এমপি মাসুদ অরুণ। মাসুদ অরুণ ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর পিতা মরহুম আহমাদ আলীও সংসদ সদস্য ছিলেন।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামার আয়কর বিবরণীতে সাবেক এমপি মাসুদ অরুণ উল্লেখ করেছেন তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ। বিএনপি এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ৪লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
মেহেরপুর জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া মাসুদ অরুন হলফনামায় বিশ্লেষণ করে আরও দেখা গেছে, তার অর্জিত দেড় একর কৃষি জমি রয়েছে যার মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা এবং মেহেরপুর পৌর শহরে তাঁর নামে ১২ কাঠা বাড়ির জমি রয়েছে। যে জমিতে ভবন নির্মানাধীন রয়েছে। তার মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা। তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ২৭ লাখ টাকা। যা তিনি নিজস্ব সম্পদ থেকে আয় করেছেন।
আয়কর বিবরণিতে তিনি বাৎসরিক আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদ দেখিয়েছেন ১কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৫হাজার টাকা।
মাসুদ অরুনের স্ত্রী আমেনা খাতুন পেশায় শিক্ষক। তিনি শিক্ষকতা থেকে বছরে আয় করেন ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯ টাকা, তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ২শ টাকা।
মাসুদ অরুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি মামলা থেকে অব্যহতি ও ৩টি মামলায় খালাস পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
