গাংনী অফিসঃ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামুন্দী করবি ক্লিনিকের মালিক কর্তৃক আয়াকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এঘটনা ঘটে।
বামন্দী করবি ক্লিনিকের মালিক বামন্দী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী ইছার উদ্দীনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ (৪৫) সে
দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবে রাজি নাহলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই নারী মেহেরপুর সদর উপজেলার উত্তর শালুকা গ্রামের জালাল উদ্দিনের মেয়ে।
করবি ক্লিনিকের আয়া ওই নারী জানান,ক্লিনিকের কাজ শেষে বিদ্যুৎ তার বাসায় কাজ করতে যাওয়ার জন্য বলে।কাজ শেষে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামার জন্য গেলে জোরপূর্বক আমাকে জড়িয়ে ধরে তার বিছানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমি তখন চিৎকার করলে আমার ১৫বছর বয়সী ছেলে দেখে ফেলে।ওই নারী আরো জানান, আগে থেকেই আমাকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে আসছিল আমি তা বুঝতে পারিনি। এজন্য বিদ্যুৎ তার স্ত্রীকে শশুর বাড়িতে পাঠিয়েছে ।
ওই নারীর ছেলে মফিজ জানান, আমার মাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায় ক্লিনিকের মালিক। বিষয়টি আমি দেখে ফেলায় আমাকে জোরপূর্বক একটি রুমে আটকে রাখে ক্লিনিক মালিক ও তার সহযোগীরা। নিজেকে বাঁচাতে তাৎক্ষণিক আমার মামা লাভলুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করি।
এ বিষয়ে লাভলুর সাথে মোবাইল ফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমার খালাতো বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছে ও আমার ভাগ্নি কে জোরপূর্বক রুমে আটকে রাখে ক্লিনিকের মালিক ও তার পরিবারের লোকজন।
আমি বিষয়টা শুনে ঘটনাস্থলে গেলে আমাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি-ধামকি দিতে থাকে বিদ্যুৎ ও তার সহযোগীরা।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জাহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎতের বাবা ইছার উদ্দিন জানান, এটি একটি দুর্ঘটনা, আপনারা কোন ঝামেলা কইরেন না দুই মাসের অগ্রিম বেতন দিয়ে দিয়েছি সে তার নিজের বাড়িতে চলে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ক্লিনিকের স্টাফ জানান, অতিরিক্ত মেয়ে লোভি হওয়ার কারণে ইতিপূর্বে অনেক নার্স এর সাথে সে অসৎ আচরণ করে। যে কারণে কেউ স্থায়ীভাবে এখানে চাকরি করতে চায় না।
এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি করবি ক্লিনিকের মালিক জাহিদুল ইসলাম বিদ্যুৎ।
এ ব্যাপারে গাংনীর থানার ওসি বজলুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি,যদি লিখিত অভিযোগ করে তাহলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
